চুলের সুস্থতায় সতর্ক দৃষ্টি রাখুন

এই কর্মব্যস্ত জীবনধারায় চুলের যত্ন করা আমাদের হয়েই ওঠে না! কেনো যেনো আমরা  চুলের সুস্থতা নিয়ে কিছুটা উদাসীন মনোভাব পোষণ করি। যেটা এর স্বাভাবিক সৌন্দর্য্য এবং বৃদ্ধিকে ব্যাহত করে। প্রতিদিনের দূষণ থেকে রক্ষা পেতে চুলকে পরিষ্কার রাখা একান্তই প্রয়োজন। কেননা বাইরের ধূলাবালি ও দূষণের কারণে চুলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। খুব অল্প সময়ে চুলকে পরিষ্কার রাখতে আমরা শ্যাম্পু ব্যবহার করে থাকি। অথচ আমরা  অনেকেই জানি না কিভাবে শ্যাম্পু ব্যবহার করলে তা ফলপ্রসূ হয়!

চলুন ঝট করে জেনে নেই শ্যাম্পু করার কিছু প্রয়োজনীয় টিপস:

চুল ভেঙে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে শ্যাম্পু করার পূর্বে চুল ভালভাবে ভিজিয়ে নিন। শ্যাম্পু সরাসরি চুলে না লাগিয়ে আগে হাতের তালুতে ঘষে নিন। তারপর সারা চুলে উক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। পুরো চুলে ফেনা করা হয়ে গেলে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই চুল ধুয়ে ফেলুন। বেশিক্ষণ চুলে শ্যাম্পু লাগিয়ে রাখা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

চলুন ঝট করে জেনে নেই শ্যাম্পু করার কিছু প্রয়োজনীয় টিপস:

শ্যাম্পু করার পর উষ্ণ পানি ব্যবহার করা উচিৎ নয়। কেননা, ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা দীর্ঘস্থায়ী হয়।

চুল পুরোপুরি না শুকানোর আগ পর্যন্ত চুল আচরাবেন না। ভেজা চুল আচড়ালে চুল পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে! যদি চুলে কালার করে থাকেন তবে কমপক্ষে ৪৮ ঘন্টা পরে শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এতে কালার দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা দীর্ঘস্থায়ী হয়

আপনি যদি চুল ঠিক রাখতে অধিক হারে কন্ডিশনার, হেয়ার স্প্রে ইত্যাদি প্রসাধনী এবং চুল শুকাতে হেয়ার ড্রাইয়ার ব্যবহার করেন তবে চুলের pH কমে গিয়ে ক্ষতি হতে পারে। এজন্য সপ্তাহে একবার শ্যাম্পুর সাথে ১ টেবিল চামচ খাবার সোডা মিশিয়ে নিন। তাহলে চুল শুষ্ক হবে না এবং চুলের মসৃণতা বৃদ্ধি পাবে।

হেয়ার ব্যান্ড ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করুন। নমনীয় রাবার ব্যান্ড ব্যবহার করুন। এতে চুলের উপর চাপ কমবে এবং চুল পড়া রোধ হবে। সময় পেলে শ্যাম্পু করার আধা ঘন্টা আগে মেয়োনিজ দিয়ে চুলকে কন্ডিশন করে নিন। এতে চুল সন্দর ও ঝরঝরা থাকবে।

চুলে শ্যাম্পু করার ঘন্টাখানেক পূর্বে চুলের গোড়ায় তেল ব্যবহার করুন। এরপর গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে মিনিট দশেক সেই তোয়ালে কিছুক্ষণ মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন৷ এবং সবশেষে উপরোক্ত উপায়ে শ্যাম্পু করুন।

চুল পড়া রোধে ১৫ টি টিপস

বর্তমানে ধুলোবালি দূষণের ফলে চুলের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে এবং এর ফলে চুল পড়াও স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পাচ্ছে বহুগুণ বেশি!

চুল পড়া রোধে ১৫ টি টিপস

আসুন জেনে নেই চুল পড়া রোধে ১৫ টি উপায়ঃ

১. – গরম পানিতে গোসল করলেও চুল ভেজানো উচিৎ না।

২. – প্রচুর পানি পান করতে হবে দিনে অন্তত ৩/৪ লিটার।

৩. – নিয়মিত ব্যায়াম/যোগব্যায়াম করতে হবে।

৪. – জেনেটিক, হরমোন পরিবর্তন বা মা হওয়ার পরে মাত্রাতিরিক্ত চুল পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ভেজা চুলে চিরুনি দিয়ে আঁচড়াবেন না।

৫. – গোড়া শক্ত করে চুল বাঁধবেন না। যথাসম্ভব চুলের গোড়া আলগা রাখুন।

৬. – চুল বেশি পড়লে চুলে তেল দেয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করুন।

৭. – মেয়েদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি থাকে! তাই আয়রন ট্যাবলেট গ্রহণ করুন, সবুজ এবং হলুদ সবজি ও ফল বেশি করে খাবেন।

৮. – প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন ডিমের সাদা অংশ, ভেড়ার মাংস, সয়াবিন, দুধ এবং দই চুলের জন্য উপকারী। তাই চুল পড়া বেড়ে গেলে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন।
৯. – নিয়মিত চুলে হিট দিলে তা চুলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই হিট দেয়া বন্ধ করুন।

চুল টিপস

১০. – সূর্যের তাপ থেকে চুলকে বাঁচাতে ওড়না দিয়ে চুল ঢেকে চলুন। আর তাপমাত্রা পরিহার করুন।

১১. – মাথার ত্বকের ওপরে নরম ম্যাসাজ চুলের গোড়ায় রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয়, যা চুলের জন্য উপকারী।

১২. – অতিরিক্ত চুল আঁচড়াবেন না দিনে অন্তত ২/৩ বার।

১৩. -ওজন কমানোর জন্য অতিরিক্ত ডায়েট কন্ট্রোল চুলের জন্য ক্ষতিকর। তাই ডায়েট করলেও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
১৪. – হেয়ার ম্যাসাজ করুন, এতে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকবে।
১৫. – মাঝেমধ্যে চুল ট্রিম করুন।

শ্যাম্পু করার প্রয়োজনীয় কিছু টিপস

এই কর্মব্যস্ত জীবনধারায় চুলের যত্ন করা আমাদের হয়েই ওঠে না! কেনো যেনো আমরা চুলের সুস্থতা নিয়ে কিছুটা উদাসীন মনোভাব পোষণ করি। যেটা এর স্বাভাবিক সৌন্দর্য্য এবং বৃদ্ধিকে ব্যাহত করে। প্রতিদিনের দূষণ থেকে চুলকে রক্ষা করতে চুলকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা একান্তই প্রয়োজন। কেননা বাইরের ধূলাবালি ও দূষণের কারণে চুলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। খুব অল্প সময়ে চুলকে পরিষ্কার রাখতে আমরা শ্যাম্পু ব্যবহার করে থাকি। অথচ আমরা অনেকেই জানি না কিভাবে শ্যাম্পু ব্যবহার করলে তা চুলের জন্য ফলপ্রসূ হয়!

চলুন ঝট করে জেনে নেই শ্যাম্পু করার কিছু প্রয়োজনীয় টিপস:

** চুলকে ভেঙে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে শ্যাম্পু করার পূর্বে চুল ভালভাবে ভিজিয়ে নিতে হবে। শ্যাম্পু কখনোই সরাসরি চুলে লাগাবেন না, আগে হাতের তালুতে ঘষে নিন। তারপর সারা চুলে উক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। পুরো চুলে ফেনা করা হয়ে গেলে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই চুল ধুয়ে ফেলবেন। বেশিক্ষণ চুলে শ্যাম্পু লাগিয়ে রাখা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

শ্যাম্পু করার প্রয়োজনীয়  টিপস

** শ্যাম্পু করার পর উষ্ণ পানি ব্যবহার করা উচিৎ নয়। কেননা, ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা দীর্ঘস্থায়ী হয় ও চুল সুন্দর এবং স্বাস্থ্যজ্জ্বল হয়।

** চুল পুরোপুরি না শুকানোর আগ পর্যন্ত চুল আচরাবেন না। ভেজা চুল আচড়ালে চুল পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে! যদি চুলে কালার করে থাকেন তবে কমপক্ষে ৪৮ ঘন্টা পরে শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এতে কালার দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

** আপনি যদি চুল ঠিক রাখতে অধিক হারে কন্ডিশনার, হেয়ার স্প্রে ইত্যাদি প্রসাধনী এবং চুল শুকাতে হেয়ার ড্রাইয়ার ব্যবহার করেন তবে চুলের pH কমে গিয়ে চুলের ক্ষতি হতে পারে। এ সমস্যা নিরোসনে করতে সপ্তাহে একবার শ্যাম্পুর সাথে ১ টেবিল চামচ খাবার সোডা মিশিয়ে নিন। তাহলে চুল শুষ্ক হবে না এবং চুলের মসৃণতা বৃদ্ধি পাবে।

চুল সন্দর ও ঝরঝরা

** হেয়ার ব্যান্ড ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করুন। নমনীয় রাবার ব্যান্ড ব্যবহার করুন। এতে চুলের উপর চাপ কমবে এবং চুল পড়া রোধ হবে। সময় পেলে শ্যাম্পু করার আধা ঘন্টা আগে মেয়োনিজ কিংবা অ্যালোভেরা দিয়ে চুলকে কন্ডিশন করে নিন। এতে চুল সন্দর ও ঝরঝরা থাকবে।

** চুলে শ্যাম্পু করার ঘন্টাখানেক পূর্বে চুলের গোড়ায় তেল ব্যবহার করুন। এরপর গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে মিনিট দশেক সেই তোয়ালে কিছুক্ষণ মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন৷ এবং সবশেষে উপরোক্ত উপায়ে শ্যাম্পু করুন। চুলের সুস্থতায় সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।

চুলের যত্নে লেবুর ৭টি সহজ হেয়ার প্যাক

লেবু শুধুমাত্র খাবারের স্বাদকেই বাড়িয়ে দেয় তা নয় বরং এর রয়েছে বহু ঔষধিগুণ। খুশকি ও চুল পড়া রোধ করতে লেবুর রস এককথায় আদর্শ। লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট যা চুলের গ্রন্থিকে করে শক্তিশালী এর ফলে চুল পড়া শূণ্যের কোঠায় নেমে আসে।

চুলন জেনে নেই চুলের যত্নে লেবুর কার্যকরী ৭টি হেয়ার প্যাকঃ

১. তিন চা চামচ নারিকেল তেলের সাথে এক কোয়া রসুন বাটা এবং দুই চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এবার প্যাকটি ৩০ মিনিট মতো স্ক্যাল্পে লাগিয়ে এরপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। মাসে অন্তত একবার ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।

চুলের যত্নে লেবুর ৭টি সহজ হেয়ার প্যাক

২. দুই চা চামচ অলিভ অয়েলের সাথে এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি স্ক্যাল্পে মাসাজ করুন। মিনিট চল্লিশ পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।

৩. দুই চা চামচ লেবুর রসের সাথে আধা চা চামচ ক্যাস্টর অয়েল মেশান। এবার মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। দুই সপ্তাহ পরপর এই প্যাকটি ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।

৪. এক চা চামচ অ্যালোভেরা জেলের সাথে দুই চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার উক্ত প্যাক স্ক্যাল্পে লাগিয়ে মিনিট বিশেক পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুইদিন ব্যবহারে চুল পড়া কমে যাবে।

৫. এক চা চামচ পেঁয়াজের রসের সাথে দুই চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এর সাথে দুই কাপ পানি মিশিয়ে পুরো মাথায় মিশ্রণটি লাগিয়ে ১০ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এই মিশ্রণটি মাসে অন্তত একবার ব্যবহার করলে চুলের সজীবতা বৃদ্ধি পাবে।লেবুর রস

৬. দুই চা চামচ লেবুর রসের সাথে একটি ডিমের সাদা অংশ ভালোমতো ব্লেন্ড করে নিন। মিশ্রণটি চুলের আগায় এবং গোড়ায় লাগিয়ে ঘন্টা খানেক পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একটাদিন এই মিশ্রণটি ব্যবহার করতে পারেন।

৭. দুই চা চামচ লেবুর রসের সাথে এক চা চামচ টকদই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার প্যাকটি স্ক্যাল্পে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুইদিন ব্যবহারে চুল হয়ে উঠবে আকর্ষণীয়।

পুরুষদের চুলের যত্ন

চুলের যত্ন একসময় শুধু নারীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু যুগ বদলেছে। ধীরে ধীরে পুরুষেরাও চুল ও ত্বকের যত্ন সম্পর্কে সচেতন হতে শুরু করেছে। পুরুষদের চুল তুলনামূলক ভাবে বেশি রুক্ষ হয়ে থাকে তাই যত্ন না করলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। অনেকেই যত্ন নিতে ইচ্ছাপোষণ করলেও প্রয়োজনীয় টিপস না জানার ফলে যথোপযুক্ত পরিচর্যা করতে পারেন না।

পুরুষের ত্বকের উপযোগী কয়েকটি তেল

আসুন জেনে নেওয়া যাক পুরুষদের চুলের যত্নে প্রয়োজনীয় কিছু টিপসঃ

১. পরিমিত শ্যাম্পু করুনঃ চুলে কখনোই অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। সপ্তাহে তিনদিনের বেশি শ্যাম্পু ব্যবহার চুলের ক্ষতির কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার চুল পড়ার সমস্যা বৃদ্ধি করে।

২. মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখুনঃ চুলের গোড়া অপরিষ্কার থাকলে ত্বকে খুশকি জমে যার ফলে চুল পড়া বেড়ে যায়। মূলত মাথারপুরুষদের চুলের যত্ন ত্বক অপরিষ্কার থাকলে খুশকি সমস্যা প্রকট হয়। তাই রোজ চুলের গোড়া ধুয়ে ফেলার অভ্যাস করুন এতে মাথার ত্বক সুস্থ থাকবে।

৩. তেল ম্যাসাজ করুনঃ মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে মাঝেমধ্যে কুসুম গরম তেল ম্যাসাজ করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ম্যাসাজ করবেন এতে চুলের গোড়া হবে মজবুত।

৪. চুলকে ময়েশ্চারাইজ করুনঃ প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে অ্যাভোকাডো তেল খুব কার্যকরী। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, ডি, ই। এগুলো চুলের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।

৫. কন্ডিশনার হিসেবে ডিমঃ প্রাকৃতিক উপায়ে যদি চুলকে কন্ডিশন করতে চান তাহলে ব্যবহার করতে পারেন ডিম। ডিমে নারকেল তেল, মধু হেয়ারপ্যাকঃরয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা চুল পড়া রোধ করে এবং চুলকে স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে।

৬. অ্যালভেরা জেল ব্যবহার করুনঃ অ্যালভেরার গুণাগুণ সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি অবগত। ছেলেদের চুল কিছুটা রুক্ষ প্রকৃতির হয়ে থাকে। এমন রুক্ষ চুলে প্রাণ ফিরিয়ে আনতে অ্যালভেরার জুড়ি মেলা ভার! চুলে ফুরফুরে ভাব আনতে নারকেল তেলের সাথে অ্যালোভেরা জেল এবং কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে ফেলুন ভালো ফল পাবেন।

রূপচর্চায় লেবুর ৭টি কার্যকরী ব্যবহার

লেবু একটি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ফল। এটা শুধুমাত্র খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। বরং সালাদ, জুস, রান্না, চিকিৎসা এমনকি রূপচর্চাতেও এর ব্যবহার লক্ষণীয়! লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফলিক এসিড, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, এন্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফসফরাস।

ত্বকের যত্নে লেবু

চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক রূপচর্চায় লেবুর বহুমুখী ব্যবহার সম্পর্কে কিছু কার্যকরী তথ্যঃ

১. নখের যত্নেঃ খাবার খাওয়া, বাইরের কাজ এবং রান্না করার ফলে নখ হলদেটে হয়ে যায়। এছাড়া নখে ময়লাও জমে যায়। এসব থেকে নখকে পরিষ্কার রাখতে ব্যবহার করতে পারেন লেবু। অলিভ অয়েলের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে তাতে নখ ভিজিয়ে রাখুন। এতে নখ দেখাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং সুস্থ। ম্যানিকিউরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকলেও এই প্রাকৃতিক উপায়ে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

২. ঠোঁটের যত্নেঃ নিয়মিত লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁট কালচে হয়ে যায়। এছাড়া শীতে ঠোঁট ফাটার প্রবণতা তো আছেই! এসব সমস্যা সমাধানে লেবু এক কথায় আদর্শ। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে লেবুর রস লাগিয়ে নিন। এতে ঠোঁটের কালো দাগ যেমন দূরীভূত হবে ঠিক তেমনি শুষ্কতা দূর করে ঠোঁট হয়ে উঠবে কমনীয়।

৩. দাঁত পরিষ্কার রাখতেঃ পেস্টের থেকেও লেবুর রস দাঁত পরিষ্কারে ভালো ভূমিকা রাখে। এতে দাঁতের হলদে ভাবও চলে যায়। বেকিং সোডার সাথে অল্প পরিমাণ লেবুর রস মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে নিন। তারপর সেটা দিয়ে দাঁত মাজুন। দারুণ ফল পাবেন।

৪. বলিরেখা কমাতেঃ বলিরেখার ফলে মানুষকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বয়স্ক দেখায়। এর জন্য বাজারে নানা ধরনের ক্রিম পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলো ব্যবহারের ফলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়। এসব ঝামেলা এড়াতে এবং বলিরেখা দূর করতে লেবুর রস ১৫ মিনিট লাগিয়ে এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৫. কনুই ও হাঁটুর সমস্যা সমাধানেঃ ত্বক এবং চুলের যত্নে আমরা যতোটা আগ্রহী হয়ে থাকি কনুই ও হাঁটুর যত্নে ততোটাই উদাসীন থাকি। ১ চা চামচ লবণ, সামান্য অলিভ অয়েল এবং লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার কনুই ও হাঁটুতে ব্যবহার রূপচর্চায় লেবুর ৭টি কার্যকরী ব্যবহারকরুন মসৃণতা ফিরে আসবে।

৬. ব্লাক হেড কমাতেঃ ব্লাক হেড ত্বকের সৌন্দর্য কে ব্যহত করে। শুধুমাত্র লেবুর রস লাগিয়েই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারবেন। লেবুর রস কিছুক্ষণ ঘষে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

৭. ব্রণের সমস্যা সমাধানেঃ ব্রণের প্রকোপ থেকে মুক্তি পেতে লেবুর ভূমিকা অনস্বীকার্য। লেবুর সাথে সামান্য মধু মিশিয়ে ত্বকে যেখানে ব্রণ উঠেছে সেখানে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পরে ধুয়ে ফেলুন ভালো ফল পাবেন।

পুরুষের ত্বকের উপযোগী কয়েকটি তেল

মাথার ত্বকের যত্নে তেলের ভূমিকা অনস্বীকার্য। নারী পুরুষ উভয়ের চুলের যত্নে তেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং উপকারী। এছাড়া এখন গরমের যে তীব্রতা দেখা দিয়েছে তা থেকে রক্ষা পেতে হলেও তেলের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক।

এখন আসুন জেনে নেওয়া যাক কয়েকটি তেল সম্পর্কে প্রয়োজনীয় অজানা কিছু তথ্যঃ

নারিকেল তেল

১. নারিকেল তেলঃ চুলে তেল দেওয়ার কথা মনে পরতেই সবার আগে মনে পড়ে নারিকেল তেলের কথা৷ কেননা আমাদের দেশে নারিকেল তেল বহুল প্রচলিত। এই তেল সবধরনের চুলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। চুলের শুষ্কতা দূর করে। খুশকি সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।

২. অ্যাভোকাডো তেলঃ যাদের প্রচুর চুল পড়ছে, চুলের আগা ক্রমেই ভেঙে যাচ্ছে এবং চুলে স্তর পড়ছে তাদের এসব সমস্যা সমাধানের উপায় আছে অ্যাভোকাডো তেলে। এই তেলকে বলা হয় লাইট অয়েল কেননা এই তেল খুবই হালকা এবং মসৃণ। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, ডি, ই আর প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ। এছাড়াও রয়েছে আয়রন, ফলিক এসিড ও অ্যামাইনো এসিড। চুলের উপরোক্ত সমস্যা সমাধানে অ্যাভোকাডো তেলের ভূমিকা অনেক।

অ্যাভোকাডো তেল

৩. আমন্ড তেলঃ আমন্ড অয়েল বা বাদাম তেল চুলের ময়লা, ধুলোবালি দূর করে চুলকে সুন্দর ও স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে তোলে। যাদের সারাক্ষণ বাইরে বাইরে কাজ করতে হয় এবং সারাক্ষণ কড়া রোদ ও ধূলোময়লার সংস্পর্শে থাকতে হয় তারা নিঃসন্দেহে বেছে নিতেজোজোবা তেল পারেন আমন্ড অয়েল।

৪. জোজোবা তেলঃ যাদের চুল শুষ্ক, চুলে অযথা জট লাগে, খুশকি সমস্যা প্রকট তাদের জন্য উপযোগী তেল হলো জোজোবা তেল। এই তেল চুলের শুষ্কতা দূর করে চুলকে করবে কমনীয় এবং ঝরঝরে।

৫. অলিভ তেলঃ যাদের চুল নমনীয় নয় তাদের চুলের উপযোগী অলিভ তেল। এই তেল চুল কন্ডিশনিং এর কাজ করে থাকে। চাইলে কন্ডিশনারের বদলে ব্যবহার করতে পারেন জলপাই তেল। এই তেলে কোনোরূপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। মাথার ত্বকের জন্য এই তেল বেশ কার্যকরী।

ত্বকের যত্নে লেবু

সেই সুপ্রাচীন কাল থেকে ত্বকের যত্নে লেবু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। লেবু আকারে ছোট হলেও এর রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। এতে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি, ডি, পটাসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট। লেবু তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা দূরকরণে বেশ ভালো ভূমিকা রাখে এছাড়াও ব্রণের সমস্যা দূরীভূত করে ত্বককে করে তোলে মসৃণ ও কমনীয়।

চলুন জেনে নেওয়া যাক ত্বকের যত্নে লেবুর ব্যবহারবিধিঃ

১. লেবুর রস এবং মধুঃ এক চা চামচ লেবুর রসের সাথে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি পুরো মুখে লাগিয়ে মিনিট ১৫ পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিঃসৃত করতে সাহায্য করবে যার ফলে ব্রণের সমস্যা দূরীভূত হবে।

লেবুর রস এবং মধুঃ

২. পাতিলেবু এবং কমলালেবুঃ এক চা চামচ পাতিলেবুর রসের সাথে এক চা চামচ পরিমাণ কমলালেবুর রস মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি মুখে ও গলায় লাগিয়ে মিনিট ১৫ পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে অন্তত দুইদিন ব্যবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

৩. লেবুর রস ও দুধঃ ২ চা চামচ লেবুর রসের সাথে ২ চা চামচ দুধ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি মুখে, গলায় ও হাতে লাগিয়ে ১০ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ব্যবহার করলে ত্বকের রোদে পোড়া ভাব চলে যাবে।

৪. লেবুর রস এবং শসাঃ এক চা চামচ লেবুর রসের সাথে এক চা চামচ শসার রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ৫ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন ব্যবহার করলে ত্বকের শুষ্কতা দূরীভূত হবে।

লেবুর রস

৫. লেবুর ব এবং চিনিঃ কয়েক ফোঁটা লেবুর রসের সাথে সামান্য পরিমাণ চিনি মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করুন। রোজ গোসলে আগে এই স্ক্রাব আলতো করে ঠোঁটে মাসাজ করুন। তাহলে ঠোঁটের কালচে দাগ চলে যাবে এবং বিশেষ করে শীতকালে ঠোঁট ফাঁটা কমে যাবে।

এছাড়া শুধুমাত্র লেবুর টুকরো কনুই এবং হাঁটুতে ১০-১৫ মিনিট মতো ঘষলে ত্বকের খসখসে ভাব দূর হবে এবং কালো দাগও দূরীভূত হবে। সুতরাং লেবু এমন একটি ফল যা ভিটামিন এবং পুষ্টিগুণ দুয়ে সমৃদ্ধ!

চুলের যত্নে মেথি

মেথি মূলত একটি মৌসুমি গাছ। এর স্বাদ অনেকটা তেতো ধরনের। এটি রান্নার কাজে এবং চুলের যত্নে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। মেথিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, প্রোটিন, আয়রন, পটাসিয়াম, লিকিথিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিড। মেথি ঔষধী গুণসম্পন্ন। কর্মব্যস্ত জীবনধারায় চুলের যত্নে মেথির ভূমিকা অনস্বীকার্য। আমরা  অনেকেই চুল পড়া নিয়ে কিংবা চুলের যত্ন নিয়ে চিন্তিত থাকি। কিন্তু এ থেকে উত্তরণের জন্য সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে অনীহা প্রকাশ করি! এমন সব অলস ব্যক্তিদের জন্য মেথি হতে পারে আদর্শস্বরূপ!

মেথি, টকদই ও নারিকেল তেল

চলুন জেনে নেওয়া যাক মেথির কিছু প্রয়োজনীয় হেয়ার প্যাকঃ

১. মেথি, টকদই ও নারিকেল তেলঃ প্রথমে একটি পাত্রে ২ চা চামচ পরিমাণ মেথি পরিমাণমতো পানি দিয়ে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ভিজিয়ে রাখা মেথি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন এবার এতে এক কাপ পরিমাণ টকদই ভালোমতো মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্রথমে চুলের গোড়ায় এবং পুরো চুলে সুন্দর করে নারিকেল তেল মাসাজ করুন। এবার তৈরিকৃত প্যাকটি চুলে লাগিয়ে ৪০-৪৫ মিনিট পরে শ্যাম্পু করুন। এই প্যাকটি মাসে অন্তত দুইদিন ব্যবহার করলে চুল পড়া রোধ হবে, চুলের আগাফাটা সমস্যা দূরীভূত হবে, চুল হবে ঘন এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

২. মেথি এবং নারিকেল তেলঃ চুলায় একটি পাত্র বসিয়ে তাতে ১ চা চামচ নারিকেল তেল নিন এবার ২ চা চামচ গুঁড়ো মেথি মেথি, টকদই তেলঃতাতে দিন। তেলের রং বাদামী হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। তেল কুসুম গরম থাকা অবস্থায় রাতের বেলা পুরো স্ক্যাল্পে এবং চুলে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে শ্যাম্পু করে নিন। এই হেয়ার মাস্কটি চুল পড়া বন্ধ করবে, খুশকি ও চুলকানির হাত থেকে চুলকে বাঁচাতে সাহায্য করবে এবং শুষ্ক চুলকে করবে কমনীয়।

৩. মেথি এবং কারিপাতাঃ সারারাত পানিতে মেথি ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কয়েকটি কারিপাতা পানিতে সেদ্ধ করে নিন। এবার ভেজানো মেথি এবং সেদ্ধ করা কারিপাতা একসাথে ভালোমতো ব্লেন্ড করে ফেলুন। এই মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় লাগিয়ে ৩০ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে চুল পাকা কমে যাবে এবং চুল হয়ে উঠবে ঘন কালো এবং আকর্ষণীয়।

ত্বকের যত্নে আলু

আমাদের রোজকার খাবার তালিকা কোথাও না কোথাও আলু থাকেই! আলু যে শুধু খাবারের চাহিদা পূরণ করে তা কিন্তু নয়। বরং আলুকে ব্যবহার করা যায় রূপচর্চার অনুসঙ্গ হিসেবে। আলুতে রয়েছে ভিটামিন সি, জিঙ্ক, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফসফরাস। এই উপাদানসমূহ ব্লিচিং হিসেবে দারুণ কাজ করে। এই অতি সহজলভ্য আলু দিয়ে ঝটপট তৈরি করতে পারবেন নিম্নোক্ত ফেসপ্যাকসমূহ যা ত্বকের কালো ভাব দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দিবে বহুগুণ।

আলুর ফেসপ্যাকঃ

আলু এবং লেবুর রসঃ গ্রেটেড আলু ১ চা চামচ এরসাথে ১/২ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। পুরো মুখে লাগিয়ে ১৫/২০ পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আলু, দুধের সর এবং টমেটো

##আলু, দুধের সর এবং টমেটোঃ ১ চা চামচ গ্রেটেড আলুর সাথে ১/২ চা চামচ দুধের সর এবং ১ চা চামচ টমেটো পেস্ট একসাথে মিশিয়ে নিন। এবার মুখে এবং গলায় মেখে ১৫/২০ লাগিয়ে রাখুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

##আলু, টকদই ও টমেটোঃ ১ চা চামচ গ্রেটেড আলুর সাথে ১ চা চামচ টকদই এবং ১ চা চামচ টমেটো একসাথে মিশিয়ে নিন। এবার গলায় এবং মুখে লাগিয়ে ১৫/২০ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

##আলু, গোলাপজল ও মুলতানি মাটিঃ ১ চা চামচ গ্রেটেড আলুর সাথে ১ চা চামচ গোলাপজল এবং ১/২ চা চামচ মুলতানি মাটি ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার প্যাকটি গলায় এবং মুখে ২০ মিনিট মতো লাগিয়ে রাখুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এই প্যাকটি অত্যন্ত কার্যকরী। ত্বক শুষ্ক হলে প্যাকটি ব্যবহার না করায় ভালো।

আলু, হলুদ ও টকদইঃ ১ চা চামচ গ্রেটেড আলুর সাথে ১ চিমটি হলুদ এবং ১ চা চামচ টকদই মিশিয়ে নিন। এবার ১৫ মিনিট মতো মুখে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।

আলু, হলুদ ও টকদই

##আলু ও শসাঃ ১ চা চামচ গ্রেটেড আলুর সাথে সমপরিমাণ শসা মিশিয়ে নিন। এবার ১৫ মিনিট মতো মুখে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। মুখের ক্লান্তিভাব দূর করে প্রাণবন্ত দেখাবে।

##আলু, মধু ও দুধঃ ১ চা চামচ গ্রেটেড আলুর সাথে ১ চা চামচ মধু এবং ১/২ চা চামচ কাঁচা দুধ মিশিয়ে নিন। এবার ১৫ মিনিট মতো মুখে ও গলায় লাগিয়ে রাখুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি বিশেষ করে শুষ্ক ত্বকের জন্য বেশি কার্যকরী।

##আলু, গ্লিসারিন ও কাঁচা দুধঃ ১ চা চামচ গ্রেটেড আলুর সাথে ১ চা চামচ কাঁচা দুধ এবং ২/৩ ফোঁটা গ্লিসারিন ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার প্যাকটি মুখে ১৫ মিনিট মতো লাগিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

##আলু, আমন্ড ওয়েল এবং কাঁচা দুধঃ ১ চা চামচ ব্লেন্ড করা আলুর সাথে ২/৩ ফোঁটা আমন্ড ওয়েলের সাথে, ১ চা চামচ কাঁচা দুধ মিশিয়ে নিন। এরপর মুখে ১৫ মিনিট মতো লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।